মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাগুইআটি জোড়া খুন কাণ্ড নিয়ে ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছিলেন। ডিজি’র সামনেই সিপি–কে ধমক দিয়েছিলেন বলে সূত্রের খবর। দ্রুত বাগুইআটি থানার আইসি–কে সরিয়ে দেওয়া উচিত ছিল বলে মন্তব্য করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তারপরই রাতারাতি বদল হল বাগুইআটি থানার আইসি। বাগুইআটি থানার ভারপ্রাপ্ত আইসি কল্লোল ঘোষকে সাসপেন্ড করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই দায়িত্বে এলেন শান্তনু সরকার। এয়ারপোর্ট থানার আইসি শান্তনু সরকারকে বাগুইআটি থানা নিয়ে আসা হল। বুধবার বেশি রাতেই শান্তনু সরকার বাগুইআটি থানার আইসি হিসাবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। আর এয়ারপোর্ট থানার আইসি হিসাবে দায়িত্ব পেলেন বিধাননগর গোয়েন্দা শাখায় থাকা সলিল কুমার মণ্ডল।
বাগুইআটি কাণ্ডে নয়া পদক্ষেপ কী? বাগুইআটি জোড়া খুন কাণ্ডে তদন্ত করবে সিআইডি’র হোমিসাইড শাখা। সঙ্গে থাকবেন স্পেশাল অপারেশন গ্রুপের অফিসাররা। নেতৃত্বে আইজি পদমর্যাদার অফিসার। যে গাড়িতে দুই কিশোর অতনু এবং অভিষেককে খুন করা হয় বলে অভিযোগ, সেই গাড়ির আজ, বৃহস্পতিবার ফরেনসিক পরীক্ষা হবে। বাগুইআটি কাণ্ডে আইসি কল্লোল ঘোষ এবং তদন্তকারী অফিসার এসআই প্রীতম সিংকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। বাগুইআটি থানার নতুন আইসি আইসি হলেন শান্তনু সরকার।
রদবদল নিয়ে কী জানা যাচ্ছে? বুধবার বেশি রাতেই ভবানী ভবন থেকে বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটে দুই পুলিশ অফিসারের বদলির চিঠি পাঠানো হয়। তারপরই তড়িঘড়ি বাগুইআটি থানার নতুন আইসি হিসাবে দায়িত্ব নেন শান্তনু সরকার। বাগুইআটি জোড়া খুন কাণ্ডে ধৃত তিনজনের পুলিশ হেফাজত হয়েছে। ১৪ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে বারাসত আদালত। ৫০ হাজার টাকা এবং মোটরবাইক কেনা নিয়েই কি খুন? কেন বাগুইআটির দুই মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী খুন? উঠেছে প্রশ্ন।