বিশ্ব ব্রেন টিউমার দিবস পালন করা হয় প্রতি বছর ৮ জুন। এই দিনটিতে ব্রেন টিউমার নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা প্রচার করা হয়। এছাড়াও এই ক্ষেত্রে চিকিৎসাবিজ্ঞানের অগ্রগতি সম্পর্কেও প্রচার করা হয়। একইসঙ্গে নানা দেশে এই রোগ নিয়ে মানুষ ভয় কাটানোর চেষ্টাও চলে।
আরও পড়ুন: চাঙ্গা থাকবেন ৬০ পেরিয়েও, আজ থেকেই রোজ ৫ কাজ করুন
আরও পড়ুন: ৫ খাবার খান বলেই গায়ে দুর্গন্ধ! এড়িয়ে চললেই রেহাই পাবেন চটজলদি
ব্রেন টিউমার আমাদের মস্তিষ্কে বেড়ে ওঠা কিছু অস্বাভাবিক কোষকে বোঝায়। কলকাতার ফর্টিস হাসপাতালে নিউরোলজির ডাইরেক্টর চিকিৎসক অমিত হালদার হিন্দুস্তান টাইমসকে বাংলাকে বলেন, ‘ভারতে ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা প্রতি এক লাখে ৫-১০ জন। এছাড়াও প্রতি বছর ২৮,০০০ রোগী এই রোগে আক্রান্ত হন। তার মধ্যে ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব ক্যানসার রেজিস্ট্রিসের তথ্য অনুযায়ী ২৪,০০০ রোগীর মৃত্যু হয়।
ব্রেনের টিউমারের সঙ্গে জড়িয়ে আছে বেশ কয়েকটি ভুল ধারণাও। চিকিৎসক অমিত হালদার এক এক করে সেই ভুল ধারণাগুলি ব্যাখ্যা করলেন। পাশপাশি, এও জানালেন সেই ব্যাপারে বিজ্ঞান আসলে কী বলছে।
- ব্রেন টিউমার মানেই ক্যানসার: ব্রেন টিউমার মানেই অনেকে ভাবেন মস্তিষ্কে ক্যানসার হয়েছে। কিন্তু টিউমার মানেই সব সময় ক্যানসার নয়। বরং কিছু কিছু টিউমার থেকে ক্যানসার হতে পারে। কিন্তু সব টিউমার থেকে ক্যানসার হয় না।
- ব্রেন টিউমার শুধু বড়দেরই হয়: অনেকেরই ধারণা, ব্রেন টিউমার শুধু বড়দেরই হয়। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে দেখা গিয়েছে, ছোটরাও এই রোগে আক্রান্ত হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের কথায়, এই রোগে আক্রান্তদের মধ্যে ৩.৯ শতাংশ রোগীর বয়স ১৪ বছরের নিচে।
- মোবাইল ফোন ব্রেইন টিউমারের আশঙ্কা বাড়ায়: মোবাইল ফোনের ব্যবহার ব্রেন টিউমারের আশঙ্কা বাড়িয়ে দিতে পারে, এর কোনও সঠিক বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। তবে দীর্ঘ বিকিরণের ফলে স্বাস্থ্যের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
- প্রতি রোগীর একই রকম লক্ষণ ও উপসর্গ থাকে: একটি প্রচলিত বিশ্বাস হল, সমস্ত ব্রেন টিউমার রোগীর একই রকম লক্ষণ ও উপসর্গ থাকে। কিন্তু তা ঠিক নয়। টিউমারের আকার ও স্থানের উপর নির্ভর করে লক্ষণগুলি পাল্টে যায়। তবে কিছু সাধারণ লক্ষণগুলির যেমন মাথাব্যথা, বমি বমি ভাব, ক্লান্তি ইত্যাদি সবারই হয়।
এই খবরটি আপনি পড়তে পারেন HT App থেকেও। এবার HT App বাংলায়। HT App ডাউনলোড করার লিঙ্ক