এই বিধানসভায় এবারের তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হলেন তরুণ মাইতি। এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিজেপি প্রার্থী অরূপ দাস। অন্যদিকে, বাম-কংগ্রেস-ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্টের (আইএসএফ) তরফে এই কেন্দ্রে দাঁড়াচ্ছেন কংগ্রেসের মানসকুমার কর মহাপাত্র।মেদিনীপুর বিভাগের একটি জেলা পূর্ব মেদিনীপুর। এই জেলার উত্তরে হাওড়া জেলা রয়েছে। পূর্বে হুগলি নদী ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা। আরও দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর এবং পশ্চিমে পশ্চিম মেদিনীপুর ও ওড়িশা অবস্থিত। এগরা এই জেলার একটি বিধানসভা কেন্দ্র। সেখানে আগামী ২৭ মার্চ প্রথম দফায় ভোট হবে।২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্রে জয়ী হয়েছিলেন তৃণমূল প্রার্থী সমরেশ দাস৷ তাঁর প্রাপ্ত ভোট ছিল ১১৩,৩৩৪৷ দ্বিতীয় স্থানে ছিলেন ডিসিপি (পিসি)—র শেখ মহম্মদ হোসেন৷ তাঁর প্রাপ্ত ভোট ৮৭,৩৭৮৷ ২৫,৯৫৬ ভোটে জিতেছিলেন সমরেশ।২০০৯ সালের উপনির্বাচনে এগরা কেন্দ্রে তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক শিশির অধিকারী পদত্যাগ করেছিলেন। কারণ কাঁথি লোকসভা কেন্দ্র থেকে তিনি সাংসদ পদে নির্বাচিত হয়েছিলেন। ২০০৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে এগরা কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছিলেন শিশির। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ডিএসপি(পিসি)—র প্রবোধচন্দ্র সিনহাকে পরাজিত করেছিলেন তিনি। ওদিকে বাম জামানায় নির্দলের বা সিপিআইএমের প্রতীক হিসাবে প্রবোধচন্দ্র সিনহা ১৯৮২ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত টানা ২০ বছর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। ২০০১ সালে তৃণমূল কংগ্রেসের তপনকান্তি করকে তিনি পরাজিত করেছিলেন। ১৯৯৬ সালে কংগ্রেসের সোহনজ্যোতি মাইতি, ১৯৯১ সালে কংগ্রেস প্রার্থী তপনকান্তি কর, ১৯৮৭ সালে কংগ্রেসের ক্ষিতীন্দ্রমোহন সাহু ও ১৯৮২ সালে কংগ্রেসের খান শামসুল আলমকে পরাজিত করেছিলেন।তার আগে তিনি জনতা দলে ছিলেন। সেক্ষেত্রে ১৯৭৭ সালে এই আসনে সিপিআইএম প্রার্থী আনন্দীনন্দন দাসকে হারিয়েছিলেন। ১৯৭২ সালে কংগ্রেসের খান শামসুল আলম এই আসনে জয়ী হয়েছিলেন। ১৯৭১ সালে তৎকালীন পিএসপি’র পদপ্রার্থী ছিলেন প্রবোধচন্দ্র। জথনও জয়ী হয়েছিলেন তিনি। তার আগে ১৯৬৭ ও ১৯৬৯ সালে পিএসপি’র বিভূতি পাহাড়ি এই আসনে জিতেছিলেন। ১৯৬২ সালে কংগ্রেসের ঋষিকেশ চক্রবর্তী এগরা আসনে জয়ী হয়েছিলেন। তার আগে ১৯৫৭ সালে এই আসনে পিএসপি’র প্রার্থী ভূবনচন্দ্র কর মহাপাত্র জিতেছিলেন।